ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

আজ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

  • আপলোড সময় : ২১-০২-২০২৫ ০৩:০০:৩৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-০২-২০২৫ ০৩:০০:৩৯ অপরাহ্ন
আজ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বুকের তাজা রক্ত বিলিয়ে দিয়েছেন ভাষা শহীদরা। গোটা বিশ্বে এটা এক নজিরবিহীন ঘটনা। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন তারা। ভাষার প্রতি বাঙালিদের এই যে ভালোবাসা, সাহস ও আত্মত্যাগ-মূলত এ কারণেই শুধু বাংলাদেশই নয়, সারাবিশ্বে বাংলা এখন সুপরিচিত ভাষা। পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর পূর্ববাংলায় শাসকবিরোধী তীব্র মনোভাবের মাঝেই বাংলা ভাষার জন্য জ্বলে ওঠে স্ফূলিঙ্গ। ভাষা সৈনিকরা তাদের লেখনিতে একইভাবে জানিয়েছেন মহান একুশে ফেব্রুয়ারির সূচনার কথা। ভাষার জন্য জীবন দেয়ার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে আর নেই। আর তাই জাতিসংঘের স্বীকৃতি লাভের পর একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবসে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
আজ শুক্রবার কালো ব্যাজ ধারণ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রভাতফেরিসহ আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানানো হবে। শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) মহান একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গত কয়েক বছর ধরে দিবসটি পালিত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় অমর একুশের চেতনা আজ  অনুপ্রেরণার অবিরাম উৎস। নিজ ভাষার উন্নয়ন ও সংরক্ষণের পাশাপাশি বহুভাষিক শিক্ষার মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপন ইতিবাচক অবদান রাখবে। ১৯৫২ সালের এ দিনে আমাদের মাতৃভাষা বাংলা’র মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণোৎসর্গ করেছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, শফিউর রহমানসহ আরও অনেকে। আমি বাংলাসহ বিশ্বের সব ভাষা-শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। সেই সঙ্গে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করি-বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেতৃত্বদানকারী সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সব ভাষা সৈনিকদের, যাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ এবং সংগ্রামের বিনিময়ে আমাদের মা, মাটি ও মানুষের মর্যাদা সমুন্নত হয়েছে।
একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা একমিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। এরপর পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন তিন বাহিনীর প্রধান, ভাষা সৈনিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, অনুষদের ডিন ও হলের প্রাধ্যক্ষরা। এরপর সর্বস্তরের জনসাধারণের শ্রদ্ধাঞ্জলির জন্য উন্মুক্ত থাকবে শহীদ মিনার।
তবে জুলাই-আগস্টে গণহত্যা চলার সময়ে নীরবতা পালন করায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে না আসার আহ্বান জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে চলমান গণঅবস্থান থেকে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ। তিনি বলেন, জুলাই ও আগস্টে আমরা দুই হাজারেরও বেশি ভাই ও বোনকে হারিয়েছি। কিন্তু পুরো ঘটনার সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু চুপ করে ছিলেন। এছাড়া এটিও কারো অজানা নয় যে তিনি হাসিনার অবৈধ নির্বাচনের অবৈধ এমপিদের ভোটে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। একে একে হাসিনা পালিয়েছে। সংসদ ভেঙে দেয়া হয়েছে। হাসিনার এমপিরাও পালিয়ে গেছে। অথচ রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বহাল আছেন। ছাত্রজনতার পক্ষ থেকে তার পদত্যাগের দাবি জানানো হলেও তিনি সরে যাননি। কিন্তু তাকে জনগণও মেনে নেয়নি। তিনি স্রেফ কায়েমী স্বার্থবাদীদের মদদে টিকে আছেন। আবদুল ওয়াহেদ বলেন, আমরা স্পষ্ট করে জানাতে চাই, সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে জনগণ জনপরিসরে দেখতে চায় না। তার উচিত বঙ্গভবনের চার দেয়ালের ভেতরে থেকেই জুলাইয়ে নিজের ভূমিকা পর্যালোচনা করা। ফ্যাসিবাদীদের সকলের পতনের পর নিজের টিকে থাকার অনর্থকতা অনুধাবন করা। আশা করছি তিনি বিদায়ের তাগিদ বুঝতে পারবেন। আমাদের দাবি হলো ফ্যাসিস্ট হাসিনার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু জুলাই বিপ্লবের সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পা রাখবেন না। তিনি একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসবেন না।
এদিকে, গতকাল বৃহস্পতিবার এ আহ্বানের নিন্দা জানিয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ সমতা পার্টি। দলটির আহ্বায়ক হানিফ বাংলাদেশিকে বার্তা প্রেরক করে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বুধবার কয়েকটি গণমাধ্যমে একটি নিউজ প্রকাশ করেছে যে একটি ছাত্রসংগঠন রাষ্ট্রপতিকে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বাংলাদেশ সমতা পার্টি এই আহ্বানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অভিভাবক রাষ্ট্রপতি। গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে অসংখ্য ছাত্র-জনতা নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের পরাজয় হয়েছে। যারা ছাত্র-জনতা হত্যার সঙ্গে জড়িত তাদের দেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে শান্তি দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। বর্তমান রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সংসদ কর্তৃক নির্বাচিত বৈধ রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি যেমন রাষ্ট্রের অভিভাবক, তেমনি এই পদটি অলংকার স্বরূপ। এই পদকে অপমান করা মানে রাষ্ট্রকে অবমাননা করা। রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছেন, মূলত তারা দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। দেশকে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সমতা পার্টি সব সময় সজাগ থাকবে।
আজ শুক্রবার একুশে ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি। শুক্রবার দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সঠিক নিয়মে, সঠিক রঙ ও মাপে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত এবং  কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। আজিমপুর কবরস্থানে ফাতেহা পাঠ ও কোরানখানির আয়োজনসহ দেশের সকল উপাসনালয়ে ভাষা শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়কদ্বীপ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাজনক স্থানে বাংলাসহ অন্যান্য ভাষার বর্ণমালা সম্বলিত ফেস্টুন দিয়ে সজ্জিত করা হবে। একুশের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার এবং ভাষা শহীদদের সঠিক নাম উচ্চারণ, শহীদ দিবসের ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা, শহীদ মিনারের মর্যাদা সমুন্নত রাখা, সুশৃঙ্খলভাবে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, ইত্যাদি জনসচেতনতামূলক বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যম  প্রয়োজনীয় প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের বিষয়টি বিশেষভাবে উপস্থাপন করা হবে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলো একুশের বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে।
ভাষা সৈনিক কাজী সহিদুল ইসলাম দৈনিক জনতাকে বলেন, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন ভাষা সৈনিকরা। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে আজ আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলছি। গোটা বিশ্বে এটা এক নজিরবিহীন ঘটনা। কিন্তু আমরা যারা এই রাষ্ট্রভাষার জন্য রাজপথে বিক্ষোভ মিছিল করেছি, পুলিশের লাঠিপেঠা খেয়েছি ও পুলিশের গুলিতে অনেকই আহত ও নিহত হয়েছে অথচ সরকার এ ব্যাপারে কোন তালিকা করেনি। আমি সরকারের কাছে ভাষা সৈনিকদের তালিকা করার জন্য জোর দাবি করছি। আমি মরে গেলে শান্তি পাবো। আমাদের কেউ খবর নেয় না, শুধু ভাষার মাস আসলেই সাংবাদিকরা আমার সাক্ষাতকার নেয় কিন্তু আমি যে অসুস্থ সরকার কোন খবর নেয় না। আমার একটাই দাবি ভাষা সৈনিকদের তালিকা করে সবার সামনে প্রকাশ করা হউক।
গতকাল বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংক্রান্ত নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, সবকিছু মিলিয়ে ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো। দুই-একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বড় কোনো ঘটনা নেই। আমি ভিভিআইপি, ভিআইপিদের বিদায়ের পরে ঢাকাবাসীকে আসার অনুরোধ করছি। তার জন্য আমি সময় নির্ধারণ করে দিয়েছি। একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তার ঝুঁকি না থাকলেও কয়েক স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সবকিছু মিলিয়ে ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো। দুই-একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বড় কোনো ঘটনা নেই। আমরা মনে করছি, ১২টা ৪০ থেকে ১২টা ৪৫- এই সময়ের ভেতরে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্য ভিআইপিদের কার্যক্রম শেষ হয়ে যাবে। তারপর সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে। তিনি বলেন, এজন্য আমি সবাইকে অনুরোধ করছি, এ সময়টা যেন একটু মেনে আসেন। তাহলে ওনাদেরও একটু কষ্ট কম হবে। গেদারিংটাও কম হবে। সবদিক দিয়ে আমরা এ ইভেন্টের নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হব।
শহীদ মিনারকেন্দ্রিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরওয়ার বলেন, ‘আমাদের চারপাশে প্রায় এক কিলোমিটার রেডি আছে, যাতে সেখানে গাড়ি প্রবেশ করতে না পারে। যেহেতু এখানে ব্যাপক জনসমাগম হবে, সেজন্য মূলত সাতটা স্থানে রোড বন্ধ করে দেয়া হবে। তিনি বলেন, শাহবাগ, নীলক্ষেত, শহীদুল্লাহ হল, হাইকোর্ট, চানখাঁরপুল, পলাশী ও বকশিবাজার ক্রসিং দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হবে। এখান দিয়ে মানুষ আসতে পারবে না একটা ছাড়া। শুধু পলাশী থেকে জগন্নাথ হল হয়ে শহীদ মিনারে যেতে পারবেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর হয়ে বের হতে পারবেন। নরমালি সন্ধ্যা ৬টায় সড়কগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। এবার সেটাকে পিছিয়ে সর্বশেষ রাত ৯টা বা ৮টায় বন্ধ করা হবে। সেটা নির্ভর করে শাহবাগ এলাকায় কোনো আন্দোলন বা অবরোধ থাকবে কিনা, সেটা হলে ক্লিয়ার করে আমরা বন্ধ করব সর্বশেষ রাত ৯টায়।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স